০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

ইট দেওয়ার কথা বলে ৮৫ হাজার টাকা নিয়ে লাপাত্তা, উদ্ধার করায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

লালমোহন প্রতিনিধি
লালমোহনের বদরপুর ইউনিয়ন যুবদলের দক্ষিণ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্বাস মোল্লার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন তিনি ও তার সমর্থকরা।

সম্প্রতি স্থানীয় এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে কিছু গণমাধ্যমে আব্বাস মোল্লার বিরুদ্ধে ২০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ প্রকাশিত হয়। তবে এ অভিযোগ ‘রাজনৈতিকভাবে হেয় করার ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন আব্বাস মোল্লা।

আব্বাস মোল্লা বলেন, অভিযোগকারী আবুল হোসেন মিয়াকে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভালো করে চিনি না। তিনি ঢাকায় সবজি বিক্রি করেন বলে শুনেছি। তার ছেলের বিয়েতে চাঁদা দাবি বা আদায়ের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিনি আরও বলেন, আবুল মিয়া পূর্বে নাজিরপুরের একটি ইটভাটায় চাকরি করতেন এবং স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে ইট সরবরাহের কথা বলে ৮৫ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। পরে টাকা ফেরত না দিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। এ নিয়ে তার সঙ্গে অন্য ব্যক্তির বিরোধ থাকলেও আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা ফিরোজ তালুকদার জানান, ঘটনার দিন স্থানীয়দের মাধ্যমে আমরা বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে যাই। আবুল মিয়া ২০ হাজার টাকা নগদ ফেরত দেয় এবং বাকি টাকা পরবর্তীতে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে এটি কোনো চাঁদাবাজির ঘটনা নয় এবং আব্বাস মোল্লার এর সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্বাস উদ্দিন, রিপন, সজিব জমাদার ও দেলোয়ার হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আব্বাস মোল্লা একজন সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী। তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়িয়ে আব্বাস মোল্লার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলছে। তারা এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ইট দেওয়ার কথা বলে ৮৫ হাজার টাকা নিয়ে লাপাত্তা, উদ্ধার করায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট: ০৬:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

লালমোহন প্রতিনিধি
লালমোহনের বদরপুর ইউনিয়ন যুবদলের দক্ষিণ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্বাস মোল্লার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন তিনি ও তার সমর্থকরা।

সম্প্রতি স্থানীয় এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে কিছু গণমাধ্যমে আব্বাস মোল্লার বিরুদ্ধে ২০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ প্রকাশিত হয়। তবে এ অভিযোগ ‘রাজনৈতিকভাবে হেয় করার ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন আব্বাস মোল্লা।

আব্বাস মোল্লা বলেন, অভিযোগকারী আবুল হোসেন মিয়াকে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভালো করে চিনি না। তিনি ঢাকায় সবজি বিক্রি করেন বলে শুনেছি। তার ছেলের বিয়েতে চাঁদা দাবি বা আদায়ের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিনি আরও বলেন, আবুল মিয়া পূর্বে নাজিরপুরের একটি ইটভাটায় চাকরি করতেন এবং স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে ইট সরবরাহের কথা বলে ৮৫ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। পরে টাকা ফেরত না দিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। এ নিয়ে তার সঙ্গে অন্য ব্যক্তির বিরোধ থাকলেও আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা ফিরোজ তালুকদার জানান, ঘটনার দিন স্থানীয়দের মাধ্যমে আমরা বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে যাই। আবুল মিয়া ২০ হাজার টাকা নগদ ফেরত দেয় এবং বাকি টাকা পরবর্তীতে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে এটি কোনো চাঁদাবাজির ঘটনা নয় এবং আব্বাস মোল্লার এর সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্বাস উদ্দিন, রিপন, সজিব জমাদার ও দেলোয়ার হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আব্বাস মোল্লা একজন সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী। তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়িয়ে আব্বাস মোল্লার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলছে। তারা এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।